সরকারের দাবি, বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত সার মজুদ রয়েছে। কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, এই মজুদ দিয়ে অন্তত এক বছর ধরে দেশের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। এছাড়া বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি ও সার সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সারের সংকট তৈরি হতে পারে, কিন্তু দেশের মধ্যে কৃত্রিম সংকটও বড় সমস্যা।
সরকারিভাবে মার্চের শুরু থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচটি সার কারখানা মধ্যে চারটি বন্ধ রাখা হয়েছে। এটি মূলত জ্বালানি রেশনিংয়ের অংশ হিসেবে। তবে কারখানাগুলো শিগগিরই উৎপাদনে ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে দেশে ইউরিয়া চার লাখ ৯৩ হাজার টন, টিএসপি তিন লাখ ৮২ হাজার টন, ডিএপি পাঁচ লাখ নয় হাজার টন এবং এমওপি তিন লাখ ৪২ হাজার টন মজুদ রয়েছে। বোরো মৌসুম শেষ হওয়ায় এখন নতুন সারের বিপুল চাহিদা নেই।
আন্তর্জাতিক বাজারে যুদ্ধের কারণে ইউরিয়া সার টনপ্রতি ৪৯০ ডলার থেকে বেড়ে ৬২৫ ডলারে পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে সারের দাম আরও বাড়তে পারে, যা আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক চাপ তৈরি করবে।
বিশ্বের মোট সার রপ্তানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আসে রাশিয়া থেকে। মধ্যপ্রাচ্যের উৎসগুলো বন্ধ হয়ে গেলে রাশিয়া বিশ্ববাজারে সারের বড় যোগানদাতা হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে পারে।








