নোভাক জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যাপক ওঠানামা করছে। যদিও বিদেশে রাশিয়ার জ্বালানির চাহিদা এখনো শক্তিশালী, তবুও দেশের ভেতরের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এখন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
এর আগেও জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাশিয়া একাধিকবার পেট্রোল ও ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করেছিল। বিশেষ করে ইউক্রেন সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দেশটির কয়েকটি তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ তৈরি হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার আগাম পদক্ষেপ নিচ্ছে মস্কো।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের পরিস্থিতি আরও জটিল। ইরান–যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল উত্তেজনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে অনিশ্চয়তা তেল পরিবহন ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে, যা বিশ্ববাজারে দামের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
এমন অবস্থায় রাশিয়ার রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ আরও সংকুচিত করতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য নতুন চাপ তৈরি করবে।
একই সঙ্গে চলমান সংঘাতের কারণে শুধু জ্বালানি নয়, বিমান চলাচলসহ বিভিন্ন খাতেও প্রভাব পড়ছে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।






