সাইফুল আলম খান বলেন, ঐকমত্য কমিশনে দীর্ঘ আলোচনার পর গণভোটের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছিল এবং জুলাই সনদে তা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা হলে জাতির কাছে নেতিবাচক বার্তা যাবে। তার ভাষায়, “এটি বাস্তবায়ন না করতে পারলে জাতির জন্য হতাশাজনক হবে।”
তিনি দাবি করেন, দেশের উল্লেখযোগ্য অংশের মানুষ গণভোটের পক্ষে মত দিয়েছে। তাই জনগণের সেই রায়কে অগ্রাহ্য করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, সংসদই হওয়া উচিত জাতীয় জীবনের সব সমস্যার সমাধানের কেন্দ্র, যেখানে সরকারি ও বিরোধী দল সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী ভিন্ন বাস্তবতার সংসদ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সংসদ নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তবে সরকারি দলের বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে কার্যকর আলোচনা ও বিরোধী দলের ভূমিকা অনেক ক্ষেত্রে সীমিত হয়ে পড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সংসদের কার্যকারিতা বাড়াতে ‘রুলস অব প্রসিডিউর’ পরিবর্তন, সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ এবং বিরোধী দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কমিটিগুলোর নেতৃত্ব নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন সাইফুল আলম খান। পাশাপাশি ছায়া মন্ত্রিসভা (শ্যাডো ক্যাবিনেট) চালুর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সংসদীয় চর্চায় আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করা জরুরি। বিশেষ করে ওয়েস্টমিনস্টার পদ্ধতির আলোকে বিরোধীদলীয় নেতার প্রশ্নের জবাব প্রধানমন্ত্রী বা সংসদীয় নেতার দেওয়া উচিত—যা বাস্তবে প্রতিফলিত হচ্ছে না বলে তিনি অভিযোগ করেন।
মতবিনিময় সভায় জামায়াতের অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। আইএফইএস প্রতিনিধিদল বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সুপারিশমালা প্রণয়ন করবে বলে জানা গেছে।








