তবে এরও আগে জুন শেষে মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ১১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। সে হিসেবে সেপ্টেম্বরে কিছুটা কমলেও বছরের শেষ প্রান্তিকে এসে আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে বৈদেশিক ঋণ।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি ও বেসরকারি—উভয় খাতেই বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ বেড়ে যাওয়াই এই বৃদ্ধির প্রধান কারণ। বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি খাত এবং বিভিন্ন বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি খাতে ঋণ বৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কম—প্রায় ১ শতাংশের নিচে। তবে বেসরকারি খাতে ঋণ গ্রহণের প্রবণতা বাড়ায় মোট ঋণের পরিমাণে এর প্রভাব পড়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈদেশিক ঋণ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সহায়ক হলেও দীর্ঘমেয়াদে এর চাপ সামাল দিতে সঠিক ব্যবস্থাপনা জরুরি। বিশেষ করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, রপ্তানি আয় এবং ঋণ পরিশোধ সক্ষমতার বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।








