Search
Close this search box.

সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মুরগিতে আগুন—বিপাকে ক্রেতা

হাবিবা

ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর বাজারে এখন দুই ধরনের চিত্র দেখা যাচ্ছে—সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি মিললেও মাছ ও মুরগির বাজারে বেড়েছে অস্বস্তি। হঠাৎ করেই মাছ-মুরগির দামে ঊর্ধ্বগতি শুরু হয়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য নতুন চাপ তৈরি করেছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরবরাহ বাড়লেও সবজির চাহিদা তুলনামূলক কম থাকায় দাম কিছুটা কমেছে। রমজানজুড়ে যে সবজিগুলোর দাম ১০০ টাকার ওপরে ছিল, সেগুলোর বেশিরভাগই এখন কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

বর্তমানে শিম, পটল ও বরবটি ৬০-৭০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচামরিচের দামও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে করলা, গোল বেগুন ও কচুর লতির দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। মাঝারি আকারের লেবুর দাম কিছুটা কমলেও বড় লেবু এখনো আগের দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, ঈদের পর থেকেই বাড়তে শুরু করেছে মাছের দাম। বিশেষ করে মিঠা পানির বড় মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ কমে যাওয়া এবং পরিবহণ খরচ বৃদ্ধি—বিশেষ করে জ্বালানি সংকট—এই দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

মুরগির বাজারেও নেই স্বস্তি। ব্রয়লার মুরগি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৮০ টাকা। রমজানে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হওয়া সোনালি মুরগি এখন কেজিতে প্রায় ১০০ টাকা বেড়ে গেছে। আর দেশি মুরগির দাম ৭৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।

মধ্যবিত্তের জন্য আমিষের অন্যতম সহজ উৎস ডিমের বাজারেও চাপ রয়েছে। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়, আর হাঁসের ডিম কিনতে গুনতে হচ্ছে প্রায় ১৮০ টাকা।

এই পরিস্থিতিতে সীমিত আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সমন্বয় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। অনেক ক্রেতার অভিযোগ, বাজারে পর্যাপ্ত তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন।



সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ