বৈঠকে দৌলতদিয়া ঘাটে সংঘটিত বাসডুবিসহ ঈদকে ঘিরে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, “আজ ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস পালিত হচ্ছে। কিন্তু আধুনিক বিশ্বে এত দুর্ঘটনা আর কোথাও ঘটে না।” তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর গত ৫৫ বছরে যারা দেশ পরিচালনা করেছেন, তাদের সবাইকেই এই পরিস্থিতির দায় নিতে হবে।
যোগাযোগ খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, এই খাত সব সময়ই বড় বাজেট পেয়েছে, কিন্তু দুর্নীতির কারণে তা কার্যকর উন্নয়নে রূপ নেয়নি। ফলে দেশের সড়ক ও নৌপথ আজ ঝুঁকিপূর্ণ এবং প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।
নতুন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গণপরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং সিন্ডিকেট সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। যানবাহনের ফিটনেস, চালকের লাইসেন্স এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মান অনুসরণের ওপর জোর দেন তিনি।
তিনি কঠোর ভাষায় বলেন, “এসব দুর্ঘটনা আসলে দুর্ঘটনা নয়, এগুলো পদ্ধতিগত গণহত্যার শামিল।”
বৈঠকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, আলহাজ গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, আলহাজ আমিনুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, জিএম রুহুল আমীন এবং মুফতি মানসুর আহমেদ সাকিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।





