যুগান্তরের এক প্রশ্নের জবাবে ফারুক আহমেদ মাশরাফির নেতৃত্ব ও পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেন:
ফারুক আহমেদ বলেন, “বাংলাদেশ ওয়ানডে দল আজকে যে পর্যায়ে আছে, তার পেছনে মাশরাফির অবদান অবিস্মরণীয়। ক্রিকেট যতদিন থাকবে, তাঁর সেই অবদানের কথা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
মাশরাফি যখন অধিনায়ক ছিলেন, তখন দলের ভেতরে শৃঙ্খলা এবং খেলোয়াড়দের মধ্যকার যে চমৎকার বোঝাপড়া (বন্ডিং) ছিল, তা বর্তমান প্রজন্মের জন্য উদাহরণ হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মাশরাফির ক্রিকেট বোর্ডে আসার সম্ভাবনা নিয়ে ফারুক আহমেদ বলেন:
“মাশরাফির ব্যাপারটাতো আমি জানি না, ওর কোনো আইনি জটিলতা বা ব্যক্তিগত সমস্যা আছে কি না। তবে তাঁর যদি অন্য কোনো সমস্যা না থাকে, তাহলে সে চাইলে ক্রিকেট বোর্ডে আসতেই পারে। একজন অধিনায়ক হিসেবে সে কী অবদান রেখেছে, তা তো আপনারা সবাই জানেন।”
নিজের উদাহরণ টেনে ফারুক আহমেদ আরও যোগ করেন যে, সমালোচনা থাকলেও কারো অর্জন মুছে ফেলা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “আপনারা আমার সম্পর্কে ইতিবাচক-নেতিবাচক অনেক কথাই বলতে পারেন। কিন্তু আমি যে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক, প্রধান নির্বাচক এবং বিসিবি সভাপতি ছিলাম, সেখান থেকে তো আর আমার নাম বাদ দিতে পারবেন না। ঠিক একইভাবে মাশরাফিকে নিয়ে যা-ই বলা হোক, তাঁর অর্জন ও অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই।”
৫ আগস্ট ২০২৪-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে মাশরাফি বিন মুর্তজা জনসম্মুখে ও ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ডে কিছুটা অনিয়মিত। তবে তাঁর ক্রিকেটীয় মেধা ও অভিজ্ঞতার কদর এখনো হকি ও ক্রিকেট পাড়ায় বিদ্যমান। বিসিবির শীর্ষ পর্যায়ের এই সবুজ সংকেত মাশরাফি ভক্তদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। এখন দেখার বিষয়, আইনি বা ব্যক্তিগত কোনো বাধা কাটিয়ে ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ বিসিবির কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হন কি না।








