Search
Close this search box.

খারগ দ্বীপ দখলের চেষ্টা হলে ধারাবাহিক হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

হাবিবা

ছবিঃ সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও তেল ও গ্যাস সরবরাহে স্থবিরতার মধ্যে ইরান তাদের সামরিক ও কূটনৈতিক কৌশল জোরদার করছে। ইরানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, তারা হরমুজ প্রণালিতে চলাচল করা জাহাজের ওপর নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। বিশেষভাবে বাংলাদেশ, চীন, ভারত, পাকিস্তান, রাশিয়া এবং ইরাকের জাহাজকে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নিরাপদ চলাচলের সুযোগ দেওয়া হবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন যে, যেসব দেশকে তারা বন্ধু মনে করে তাদের জন্য সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হবে। শত্রু রাষ্ট্রের জাহাজ চলাচলের কোনো সুযোগ নেই। হরমুজ প্রণালির ওপর ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ কার্যত ইরানের নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন যা ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে। তবুও ট্রাম্প প্রশাসন পাকিস্তানে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে আলোচনার পথ খুঁজছে। এই বৈঠকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। বৈঠক নিরাপত্তা ঝুঁকি ও কৌশলগত কারণে পাকিস্তান বা তুরস্কের ভেন্যুতে হতে পারে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলছে। চলতি মার্চ মাসে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জাহাজ চলাচল প্রায় ৯৫ শতাংশ কমে গেছে। সাধারণত প্রতিদিন ১২০টি জাহাজ চলাচল করে, চলতি মাসে মাত্র ১৫৫টি জাহাজ পার হয়েছে।

এছাড়া ইরান হুমকি দিয়েছে যে, যদি কেউ খারগ দ্বীপ দখলের চেষ্টা করে, তবে সংশ্লিষ্ট দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ধারাবাহিক হামলা চালানো হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে সংযুক্ত আরব আমিরাত এই চেষ্টা করতে পারে এবং ইরান তাদের নজরদারি করছে।

ইরান যুদ্ধের মধ্যে বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা ও সামরিক শক্তি প্রদর্শন অব্যাহত রাখছে।

 

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ