রাকিবুল ইসলাম রাকিব তাঁর পোস্টে ২০১৮ সালের একটি ঘটনার অবতারণা করে লিখেছেন:
“২০১৮ সালের ৩১ জুলাই রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণার ১ ঘণ্টার মধ্যেই সাদিক কায়েম তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে লবিং করার জন্য ব্যাকুল হয়ে এসএমএস করেন।”
রাকিবের দাবি, সাদিক কায়েম সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষ পদ পাওয়ার আশায় তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতেন।
ছাত্রদল সভাপতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ৫ আগস্টের (২০২৪) পটপরিবর্তনের পর সেই ছাত্রলীগের কর্মীরাই আজ জাতিকে সাহসিকতার গল্প শোনাচ্ছেন। পোস্টের শেষে তিনি যোগ করেন— ‘History repeats itself’ (ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে)।
সাদিক কায়েম ও গোলাম রাব্বানীর মধ্যকার কথোপকথনের স্ক্রিনশটটি প্রথম শেয়ার করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদের। সেখানে দেখা যায়:
২০১৮ সালের ১ আগস্ট থেকে ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সাদিক কায়েম কয়েক দফায় গোলাম রাব্বানীকে সালাম দিয়ে নিজেকে হলের ‘ছোট ভাই’ হিসেবে পরিচয় দেন।
স্ক্রিনশটে দেখা যায়, রাব্বানী কোনো টেক্সটের উত্তর দেননি। তবে বর্তমান বিতর্কের মধ্যে রাব্বানী ওই পোস্টের কমেন্টে এসে মন্তব্য করেছেন— “যেহেতু আমার বিশ্ববিদ্যালয় ও হলের ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দিয়েছে, ফান্ডে রেখে আসা ৩ লাখ টাকাও খরচ করুক। আমি আর কোনো দাবি রাখলাম না।”
৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সাদিক কায়েম বর্তমানে ডাকসুর ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তাঁকে নিয়ে এই পুরনো লবিংয়ের অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয় পাড়ায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তবে এই অভিযোগ ও ভাইরাল স্ক্রিনশট নিয়ে এখন পর্যন্ত সাদিক কায়েমের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।








