উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে একটি পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের হাজার হাজার ধর্মীয় সেবককে মাসিক ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই কার্যক্রমের আওতায় ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইত মাসিক সম্মানী পাবেন। এছাড়া ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
প্রকল্পের আর্থিক কাঠামো অনুযায়ী, প্রতিটি মসজিদের জন্য মাসিক মোট ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে।
অন্যদিকে মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জার জন্য মাসিক ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে পুরোহিত বা যাজক পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত বা সহকারী যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা করে।
জাতীয় পর্যায়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।








