মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ায় “নন-ইমার্জেন্সি” বা অপ্রয়োজনীয় মার্কিন সরকারি কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের দ্রুত ওমান ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত মূলত সম্ভাব্য সশস্ত্র সংঘাত ও সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ সতর্কতায় ওমানকে লেভেল–৩ পর্যায়ে রাখা হয়েছে, যার অর্থ হলো দেশটিতে ভ্রমণের আগে নাগরিকদের নতুন করে ভাবতে বা সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এ সতর্কতার পেছনে সশস্ত্র সংঘাত ও সন্ত্রাসী হামলার সম্ভাবনাকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ওমানের ইয়েমেন সীমান্তবর্তী অঞ্চলের জন্য সতর্কতা আরও কঠোর। ওই সীমান্ত এলাকায় এখনও লেভেল–৪ বা “ভ্রমণ না করার” সর্বোচ্চ সতর্কতা বহাল রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতে, ইয়েমেনের চলমান সংঘাতের কারণে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠায় যুক্তরাষ্ট্র তার কূটনৈতিক ও সরকারি কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সতর্কতা জারি করছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, অঞ্চলজুড়ে সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ায় বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দেশই তাদের কর্মী ও নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করছে।








