স্থানীয়রা জানায়, নিহতদের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনার পর জানাজার নামাজ সম্পন্ন করা হয়। শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো গ্রামে। কনের নানির মরদেহও তাদের গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, গত বুধবার রাতে মিতু মঙলায় বসবাসরত আহাদুর রহমানের সঙ্গে বিয়ে সম্পন্ন করেন। বিয়ের পর বর-কনেসহ দুই পরিবারের সদস্যরা মাইক্রোবাসে ফিরছিলেন। রামপাল উপজেলার বেলাইবিজ এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের চালকসহ ১৪ জন নিহত হন। মাইক্রোবাসে ছিল মিতু, তার বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা বেগম ও নানি আনোয়ারা বেগম।
এ দুর্ঘটনায় নিহতদের জন্য গ্রামের মানুষ দোয়া করেছেন এবং দুই পরিবারের ক্ষতির জন্য শোক প্রকাশ করছেন। নিহতদের শান্তি ও জান্নাত কামনা করা হয়েছে।








