জবাবে ইরান ফুটবল দলের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বিশ্বকাপ একটি ঐতিহাসিক ও আন্তর্জাতিক আয়োজন এবং এর নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো ফিফা (FIFA)। কোনো নির্দিষ্ট দেশ নয়। ইরানের অকুতোভয় সন্তানদের একের পর এক সিদ্ধান্তমূলক ও শক্তিশালী জয়ের মাধ্যমে এই বড় টুর্নামেন্টে খেলার যোগ্যতা অর্জনকারী প্রথম দলগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল ইরান।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “নিশ্চিতভাবে কেউই ইরান দলকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে না। যদি কোনো দেশকে বাদ দিতেই হয়, তবে সেই দেশকে দেওয়া উচিত যারা কেবল ‘আয়োজক’ নাম ধারণ করে আছে কিন্তু এই বৈশ্বিক আসরে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা রাখে না।”
এখানে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের দিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডা। ইরানের বিবৃতিতে আয়োজক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা’ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এটি মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক পাল্টা আক্রমণ, যেখানে ইরান বোঝাতে চাইছে যে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের আবহে বিদেশি ক্রীড়াবিদদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হতে পারে।
ফিফার নিয়ম ও নজির
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, রাজনৈতিক কারণে কোনো দেশ এককভাবে অন্য দেশের অংশগ্রহণ ঠেকাতে পারে না। তবে, অতীতে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়াকে ফিফা নিষিদ্ধ করেছিল। ইরান ফুটবল দল সেই নজিরের প্রেক্ষাপটে আগেভাগেই অবস্থান পরিষ্কার করল যে, তারা মাঠের লড়াইয়ে যোগ্যতা অর্জন করেই বিশ্বকাপে এসেছে, তাই রাজনৈতিক কারণে তাদের বাদ দেওয়া হবে ‘বেআইনি’।
সূত্র : আল-জাজিরা।








