আব্দুস সালাম ব্যাপারী ও তার স্ত্রী অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন বলে সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়াই দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার করে কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে সম্পত্তি বিনিয়োগ করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
ওয়াসার এমডি থাকাকালীন দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং অবৈধ নিয়োগের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে জমা হয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি আদালতে জানায়, আসামিরা দেশত্যাগের পরিকল্পনা করছেন যা সুষ্ঠু তদন্তের পথে বড় বাধা হতে পারে। আবেদনের গুরুত্ব বিবেচনা করে আদালত তাদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এছাড়া তাদের সঙ্গে জড়িত ২১টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ সময় ঢাকা ওয়াসার শীর্ষ পদে আসীন থাকার পর সম্প্রতি আব্দুস সালাম ব্যাপারী পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগের পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়ম ও অর্থপাচারের বিষয়ে তদন্ত শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।






