।
এই ক্ষেপণাস্ত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি মাঝ আকাশে নিজের গতিপথ পরিবর্তন বা ম্যানুভার (Maneuver) করতে পারে। ফলে শত্রুপক্ষের রাডার বা বর্তমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে একে শনাক্ত করা বা আকাশেই ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অতি দ্রুত এই উন্নত অস্ত্র মোতায়েনের সক্ষমতা প্রদর্শন করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এটি মূলত এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি শক্তিশালী বার্তা।
ডার্ক ইগল বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছে শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে উচ্চমূল্যের লক্ষ্যবস্তু বা কৌশলগত স্থাপনা ধ্বংস করার জন্য।
অস্ট্রেলিয়ায় এই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মোতায়েনকে বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার সাথে হাইপারসনিক প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র যে পিছিয়ে নেই, এই মোতায়েন তারই প্রমাণ। মার্কিন সেনাবাহিনীর ৩য় মাল্টি-ডোমেইন টাস্ক ফোর্সের অধীনে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে।







