Search
Close this search box.

অস্ট্রেলিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডার্ক ইগল’ মোতায়েন: হাইপারসনিক যুগের নতুন মাইলফলক

অহনা

প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ‘ডার্ক ইগল’ (Dark Eagle) বিদেশের মাটিতে মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মার্কিন সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত একটি বহুজাতিক সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে এই শক্তিশালী অস্ত্র ব্যবস্থা পাঠানো হয়েছে।

‘লং-রেঞ্জ হাইপারসনিক ওয়েপন’ (LRHW) বা ‘ডার্ক ইগল’ শব্দের গতির চেয়ে অন্তত পাঁচ গুণ বেশি গতিতে (ম্যাক ৫+) ছুটতে সক্ষম। এটি প্রায় ১,৭২৫ মাইল (প্রায় ২,৭৭৫ কিলোমিটার) দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে

এই ক্ষেপণাস্ত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি মাঝ আকাশে নিজের গতিপথ পরিবর্তন বা ম্যানুভার (Maneuver) করতে পারে। ফলে শত্রুপক্ষের রাডার বা বর্তমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে একে শনাক্ত করা বা আকাশেই ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অতি দ্রুত এই উন্নত অস্ত্র মোতায়েনের সক্ষমতা প্রদর্শন করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এটি মূলত এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি শক্তিশালী বার্তা।

 ডার্ক ইগল বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছে শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে উচ্চমূল্যের লক্ষ্যবস্তু বা কৌশলগত স্থাপনা ধ্বংস করার জন্য।

 অস্ট্রেলিয়ায় এই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মোতায়েনকে বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার সাথে হাইপারসনিক প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র যে পিছিয়ে নেই, এই মোতায়েন তারই প্রমাণ। মার্কিন সেনাবাহিনীর ৩য় মাল্টি-ডোমেইন টাস্ক ফোর্সের অধীনে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ