ইতোমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। আগামী ১৬ তারিখ থেকে দেশব্যাপী খাল-খনন কর্মসূচি শুরু হবে, যার মাধ্যমে বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে খরা মৌসুমে সেচকাজে ব্যবহার করা যাবে।
প্রত্যেক কৃষককে ‘কৃষি কার্ড’ দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে তারা ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও সেচ সুবিধা পাবেন।
২০২৭ সালে ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও বিমানবন্দর প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু করার পাশাপাশি বেকারদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, “গত ১৫ বছর দেশে কোনো আইন-কানুন ছিল না। টাকা ছাড়া কোনো কার্ড পাওয়া যেত না। কিন্তু এবার কোনো টাকা ছাড়াই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।” তিনি মাদক থেকে নতুন প্রজন্মকে রক্ষা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, জনগণের ঋণ তিনি সেবা ও উন্নয়নের মাধ্যমে শোধ করতে চান।








