হিব্রু সূত্রগুলো জানিয়েছে, গত ৮ মার্চ থেকে নেতানিয়াহুর বাসভবনের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজিরবিহীনভাবে বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে আত্মঘাতী ড্রোন হামলা মোকাবিলায় অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের মঙ্গলবারের পূর্বনির্ধারিত ইসরায়েল সফর হঠাৎ বাতিল হওয়ার ঘটনাটিকেও এই রহস্যের সাথে যুক্ত করে দেখছেন অনেকে। যদিও এর কোনো আনুষ্ঠানিক কারণ জানানো হয়নি।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে নেতানিয়াহুর সাথে এক ফোনালাপের বিবরণ প্রকাশ করা হলেও সেখানে আলোচনার নির্দিষ্ট কোনো তারিখ বা সময় উল্লেখ না থাকায় ধোঁয়াশা আরও বেড়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ জেরুজালেমে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর থেকেই তেহরান দাবি করে আসছে যে নেতানিয়াহুর কার্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তার পরিণতি অনিশ্চিত। তবে ওই সময় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী সুস্থ আছেন এবং তিনি নিয়মিত অপারেশনাল কার্যক্রম তদারকি করছেন। বর্তমান গুঞ্জনের বিষয়েও ইসরায়েল সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বলছেন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার খাতিরে অনেক সময় জনসম্মুখে উপস্থিতি কমিয়ে আনা হয় এবং এটি একটি নিয়মিত কৌশলের অংশ।







