জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু রোববার সংবাদমাধ্যমকে জানান, আটকে পড়া জাহাজটি ছাড়িয়ে আনতে ইরানকে অনুরোধ করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে জাহাজটি দ্রুত দেশে ফিরতে পারবে। এদিকে, যুদ্ধের কারণে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির (ডিপিএম) আওতায় তিন লাখ টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। লক্ষ্য হলো—যেকোনো মূল্যে দেশে তেল ও গ্যাসের মজুত বাড়ানো এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা।
জ্বালানি সচিব মো. সাইফুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, মার্চ ও এপ্রিল মাসের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে এলএনজি এবং তেলের সরবরাহ বজায় রাখতে প্রয়োজনে বেশি দামে সরাসরি ক্রয় নীতির মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহ করা হবে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রভাব








