গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন এক গেজেটের মাধ্যমে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-৪ আসন থেকে কেটে ফরিদপুর-২ আসনের অন্তর্ভুক্ত করলে এলাকায় তীব্র আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে সিদ্দিক মিঞা মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এর পরপরই গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তাকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এবং পরদিন একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
কারামুক্তির পর সিদ্দিক মিঞা তার মুক্তির পেছনে নবনির্বাচিত এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুলের ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, এমপি বাবুল তার ফেসবুক পোস্টে জানান, নির্বাচনের আগেই তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ভাঙ্গার ইউনিয়ন রক্ষার আন্দোলনে গ্রেপ্তারকৃতদের আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মুক্ত করবেন। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই তিনি আজ চেয়ারম্যানকে জেলগেটে রিসিভ করেছেন। উল্লেখ্য, স্থানীয়দের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ওই দুটি ইউনিয়ন পুনরায় ফরিদপুর-৪ আসনেই ফিরে আসে।








