ভুক্তভোগী পাভেল অভিযোগ করেন, সেহরির সময় তিনি বুয়েটের হলে খেতে গেলে জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার নেতা সাইফুল্লাহ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা হাসিব আল ইসলাম, সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও আবরারের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন তাকে বিনা উসকানিতে আড়াই ঘণ্টা মারধর করে। পরে তাকে পলাশী ও ভিসি চত্বরে নিয়ে গিয়ে পুনরায় শারীরিক নির্যাতন করা হয়। পাভেলের দাবি, তিনি কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত নন, অথচ তাকে ছাত্রলীগ আখ্যা দিয়ে পেটানো হয়েছে এবং তার মোবাইল, মানিব্যাগ ও বাইকের চাবি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান জানান, সেহরির সময় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা পাভেলকে থানায় সোপর্দ করে। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সুস্থ হওয়ার পর তার বিষয়ে পরবর্তী আইনি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো লিখিত অভিযোগ না পেলেও তারা ঘটনাটির খোঁজখবর রাখছেন এবং আহত শিক্ষার্থীর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পুলিশকে অনুরোধ জানিয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেছেন।








