জানা গেছে, বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় কিশানের বোন ও ভগ্নিপতি প্রাণ হারালেও অলৌকিকভাবে বেঁচে যায় তাদের দুই শিশু সন্তান। এই দুঃসংবাদে পরিবার ভেঙে পড়লেও দলের প্রয়োজনে আহমেদাবাদে সতীর্থদের সাথেই থেকে যাওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নেন কিশান। অনুশীলনে নীরব থাকলেও ম্যাচের দিন আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। অর্ধশতক পূর্ণ করে আকাশের দিকে ব্যাট উঁচিয়ে এই ইনিংসটি প্রয়াত বোনের স্মৃতিতে উৎসর্গ করেন কিশান। ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার বোন সবসময় চাইত আমি বড় ইনিংস খেলি, এই ইনিংসটি তাঁর জন্যই।”





