অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) ও গবেষণা সংস্থা ‘রাইস্ট্যাড এনার্জি’র তথ্যমতে, তেলের এই ঊর্ধ্বগতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। যুক্তরাষ্ট্রে এক সপ্তাহেই ডিজেলের দাম ৮৩ সেন্ট এবং গ্যাসের দাম গ্যালন প্রতি ৪৭ সেন্ট বেড়েছে। এদিকে, রোববার ভোরে তেহরানের তেল ডিপো ও পেট্রোলিয়াম টার্মিনালে ইসরায়েলি হামলায় চারজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ইরান প্রতিদিন যে ১৬ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করে, তার বড় অংশ চীনে যায়। এই সরবরাহ ব্যাহত হলে চীন বিশ্ববাজারের অন্য উৎসগুলোতে চাপ তৈরি করবে, যা তেলের দামকে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে নিয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। যদিও মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দাম স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন, তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে থাকলে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।








