জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব এবং অপারেশন উইংয়ের প্রধান মনির হোসেন চৌধুরী শনিবার জানান, বাংলাদেশে মাসে ৩.৮০ হাজার টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে বিপিসির কাছে ১ লাখ টনের বেশি ডিজেল মজুদ আছে। এর বাইরে ২.৮০ লাখ টন পরিশোধিত ডিজেল আমদানি চূড়ান্ত হয়েছে। তবে কৌশলগত কারণে কোনো দেশ থেকে কী দরে এসব তেল কেনা হচ্ছে, তা জানাননি তিনি।
তবে বাজারে বর্তমান পরিস্থিতির বিষয়ে জ্বালানি বিভাগ মনে করছে, ‘বাইকাররা অযথা পেট্রোল পাম্পে ভিড় করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন। তাদের প্যানিক বায়িং (আতঙ্কিত হয়ে কেনা) বন্ধ হলেই সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্যতা ফিরবে।’
এছাড়া, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সিঙ্গাপুর থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানি নিশ্চিত করায় আপাতত গ্যাস সংকট হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানান কর্মকর্তারা। এছাড়া, নভেম্বর পর্যন্ত সারের মজুদ থাকায় সরকার সার কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। ফলে গ্যাসের সরবরাহও স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করছে জ্বালানি বিভাগ।
এদিকে, বিদ্যুৎ পরিস্থিতির বিষয়ে জানা গেছে যে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ৫০ দিনের চাহিদা মেটানোর মতো ফার্নেস অয়েলের মজুদ রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা নেই।







