ব্যাংক থেকে ডলার না পেয়ে অনেকেই খোলা বাজারের ওপর নির্ভর করছেন। সেখানে এলাকাভেদে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২৬ টাকায়।
ঈদের ছুটিতে বিদেশ ভ্রমণের হার বাড়ায় ব্যক্তিগত পর্যায়ে নগদ ডলারের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। ২. আমদানি দায় মেটানো: রোজা ও ঈদ উপলক্ষে ভোগ্যপণ্য আমদানির বড় অংকের এলসি (LC) সেটেলমেন্টের চাপে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলারের মজুত কমেছে। ৩. হুন্ডি তৎপরতা: বৈধ পথে রেমিট্যান্স বাড়লেও একটি বড় অংশ এখনো হুন্ডির মাধ্যমে আসার কারণে খোলা বাজারে ডলারের সরবরাহ কম।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চের প্রথম সপ্তাহে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। প্রবাসীরা পরিবারকে ঈদের খরচ পাঠাতে বৈধ পথ বেছে নেওয়ায় ডলারের রিজার্ভে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও চাহিদার তুলনায় তা এখনো অপ্রতুল।
অর্থনীতিবিদদের মতে, ঈদ পরবর্তী সময়ে ডলারের চাহিদা কিছুটা কমলে এবং সরকারি ঋণের কিস্তি সময়মতো পরিশোধ হলে দরে কিছুটা স্থিতিশীলতা আসতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে।






