-
ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার: ব্যারেল প্রতি ২.৯৩ ডলার বা ৪.৩৫% বেড়ে ৭০.৩৫ ডলারে থিতু হয়েছে। (অন্যান্য কিছু এক্সচেঞ্জে এটি ৭১ ডলারও ছাড়িয়েছে)।
-
মার্কিন ডব্লিউটিআই (WTI): ব্যারেল প্রতি প্রায় ১.১৬ ডলার বা ১.৮% বেড়ে ৬৬.৩৫ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এক দিনের ব্যবধানে ৪ শতাংশের বেশি এই দাম বৃদ্ধি গত অক্টোবর ২০২৫-এর পর সবচেয়ে বড় লাফ।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। গত মঙ্গলবার সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে ইরান কয়েক ঘণ্টার জন্য এই রুটটি বন্ধ করে দেয়। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তারা ‘স্মার্ট কন্ট্রোল অব দ্য স্ট্রেট অব হরমুজ’ নামে বড় ধরনের মহড়া চালাচ্ছে। এতে জলপথটি দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নিসান সিকিউরিটিজের প্রধান কৌশলবিদ হিরোয়ুকি কিকুকাওয়া মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হলেও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সম্ভাবনা কম। কারণ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেলের দাম অতিরিক্ত বাড়ানো এড়াতে চাইবেন। তবে হরমুজ প্রণালী যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, তবে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।








