-
আনচেলত্তি রিও ডি জেনেইরো এবং ভ্যাঙ্কুভারে (যেখানে তাঁর পারিবারিক আবাস) সময় ভাগ করে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন।
-
এই নমনীয় শর্তই মূলত তাঁকে ব্রাজিলের দায়িত্ব নিতে আগ্রহী করেছিল।
গত বছর দোরিভাল জুনিয়রকে বরখাস্ত করার পর ব্রাজিল যখন বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চতুর্থ স্থানে ধুঁকছিল, তখন হাল ধরেন আনচেলত্তি। প্রথম আট ম্যাচে ৪টি জয় এলেও মাঠের ফলের চেয়ে ড্রেসিংরুমের শান্ত পরিবেশ সিবিএফ-কে বেশি মুগ্ধ করেছে। রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক শিষ্য ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রদ্রিগো এবং এদের মিলিতাওদের সঙ্গে তাঁর চমৎকার সম্পর্ক দলের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে এনেছে।
গত ৬০ বছরের ইতিহাসে আনচেলত্তিই ব্রাজিলের প্রথম বিদেশি কোচ। সাধারণত কোনো বড় টুর্নামেন্টে ব্যর্থ হলে কোচ ছাঁটাই করা ব্রাজিলের পুরনো রীতি। তবে এবার সিবিএফ সভাপতি এদনালদো রদ্রিগেস সেই পথে হাঁটেননি। তিনি মনে করেন, বড় আসরের পর দলে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, আনচেলত্তির দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি তা দূর করবে।
২০২৬ বিশ্বকাপ সামনে রেখে আগামী মাসে বোস্টনে ফ্রান্স এবং অরল্যান্ডোতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। এই ম্যাচগুলোই হবে আনচেলত্তির কৌশলের বড় পরীক্ষা। ২০০২ সালের পর আর হেক্সা (ষষ্ঠ শিরোপা) জেতা হয়নি সেলেসাওদের। ২০২৬-এ সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে ২০৩০-এর শতবর্ষী বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দিতে মুখিয়ে আছেন এই ‘প্রফেসর’।








