খবর পেয়ে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব লিয়াকত আলী সেখ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের আটক করেন। অভিযুক্তরা দাঁড়িয়ে থাকা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের কাছে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের পক্ষে টাকা বিতরণের কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাদের বিরামপুর থানায় সোপর্দ করা হয়।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সরকার জানান:
“ভোটারদের যাতায়াত ভাড়ার নাম করে টাকা বিতরণের সময় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তারা থানা হেফাজতে রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।”





