ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর এটি দুই নেতার মধ্যে ষষ্ঠ বৈঠক হবে। এর আগে শুক্রবার ওমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, আগামী সপ্তাহের শুরুতে আলোচনাগুলো আবার শুরু হবে।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয়ই ইরানের প্রতিপক্ষ, তেহরান ও ওয়াশিংটনের আলোচনার বিষয়ে ইসরায়েল তুলনামূলকভাবে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং এ ধরনের আলোচনায় আপত্তি জানিয়েছে।
ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক মাইকেল হোরোভিটজ জানিয়েছেন, ইসরায়েলের লক্ষ্য হলো ইরানের শাসনব্যবস্থাকে স্থায়ীভাবে দুর্বল করা বা প্রয়োজনে পতন ঘটানো। প্রয়োজন পড়লে তারা অতিরিক্ত হামলার বিকল্পও বিবেচনা করছে।
গত মাসে নেতানিয়াহু সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরানের পক্ষ থেকে কোনো হামলা হলে ইসরায়েল পাল্টা আঘাত হানবে এবং এমন শক্তি প্রয়োগ করা হবে যা ইরান আগে কখনো দেখেনি।








