প্রাপ্তির খবর শুনে ববিতা বলেন, ‘দেরিতে হলেও একুশে পদক পেয়েছি, তাতেই আমি খুব খুশি।’ তিনি আরও জানান, মোবাইল ফোনে প্রিয়জনদের কাছ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পাচ্ছেন। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আল্লাহ, রাষ্ট্র, নির্বাচক কমিটি এবং ভক্ত-দর্শকের প্রতি।
ববিতার অভিনয়জীবন শুরু হয়েছিল ১৯৬৮ সালে জহির রায়হানের ‘সংসার’ চলচ্চিত্রে শিশুশিল্পী হিসেবে। এরপর তিনি ধারাবাহিকভাবে সফল ভূমিকা পালন করেছেন। প্রথম শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান ১৯৭৫ সালে ‘বাদী থেকে বেগম’ সিনেমার জন্য। এরপর ‘নয়নমণি’, ‘বসুন্ধরা’, ‘রামের সুমতি’, ‘হাছন রাজা’, ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ এবং ‘কে আপন কে পর’ সিনেমার জন্য তিনি জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেন।
২০১৬ সালে চলচ্চিত্রে দীর্ঘ অবদানের স্বীকৃতিতে ববিতাকে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। এই বছর তিনি একুশে পদক অর্জন করে চলচ্চিত্রে তার অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেয়েছেন।
ববিতা পদকটি জহির রায়হানের হাতে তুলে নেওয়ার স্মৃতি ও শ্রদ্ধা স্মরণ করে বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় শহীদ জহির রায়হানের হাত ধরেই আমার চলচ্চিত্রে আগমন, তাই আমার একুশে পদকটি তাকেই উৎসর্গ করছি।’








