বিশ্বকাপ শুরু হতে আর ২৪ ঘণ্টাও বাকি নেই। যদিও অস্ট্রেলিয়া তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ১১ ফেব্রুয়ারি, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। ২০২৫ সালে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দারুণ ফর্মে ছিলেন হ্যাজলউড। সেই পারফরম্যান্সের সুবাদেই প্রথমবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজেও ধারাবাহিকভাবে ভালো করেন তিনি। এমন একজন বোলারকে বিশ্বকাপে না পাওয়া অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় ক্ষতি।
২০২৫ সালে হ্যাজলউড ৭.৩৭ ইকোনমিতে ১২টি উইকেট নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৮টি উইকেটই আসে পাওয়ার প্লেতে। তবে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে তার পুরো গ্রীষ্মটাই ব্যাহত হয়। অ্যাশেজ সিরিজের আগে শেফিল্ড শিল্ডে খেলতে গিয়ে চোটে পড়েন তিনি। বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে তাকে নিয়ে সতর্ক অবস্থান নেয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফিট হয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি।
নির্বাচক টনি ডডমেইড জানিয়েছেন, সুপার এইট পর্বে হ্যাজলউডকে ফেরানোর আশা থাকলেও এখন তা বাস্তবসম্মত নয়। দ্রুত ফেরাতে গেলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। আপাতত হ্যাজলউডের বদলি হিসেবে কাউকে ঘোষণা করা হয়নি। পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সম্প্রতি পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। যদিও সেই সিরিজে পূর্ণ শক্তির দল না নামানো নিয়ে বেশ আলোচনা হয়। ওই সিরিজে খেলা শন অ্যাবট, যিনি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে রিজার্ভ হিসেবে আছেন, তিনি হ্যাজলউডের জায়গায় মূল দলে সুযোগ পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে কুঁচকিতে অস্বস্তি অনুভব করা অ্যাডাম জাম্পা আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন বলে আশা করছে অস্ট্রেলিয়া। নাথান এলিস ও টিম ডেভিডও চোট কাটিয়ে ফিট বলে জানিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর এই প্রথম কোনো আইসিসি টুর্নামেন্টে অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াডে হ্যাজলউড, কামিন্স, স্টার্ক, স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারের কেউই নেই। অভিজ্ঞ ও তারকা ক্রিকেটারদের ছাড়া এবারের বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার পথচলা যে কঠিন হবে, তা বলাই যায়।








