Search
Close this search box.

শুক্রবার জাতির সামনে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবে বিএনপি

হাবিবা

ছবিঃ সংগৃহীত

আগামী শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও জনকল্যাণভিত্তিক নির্বাচনি ইশতেহার জাতির সামনে তুলে ধরবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনগণের মতামত ও বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে প্রণীত এই ইশতেহার দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বুধবার ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বিএনপি একটি গণমুখী রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ইশতেহার প্রণয়ন করেছে এবং এটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুক্রবার প্রকাশ করা হবে।

এর আগে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, ইশতেহার প্রণয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। তার ভাষায়, দীর্ঘ সময় ধরে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়, আলোচনা ও পরামর্শের ভিত্তিতে এই ইশতেহার চূড়ান্ত করা হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে যে রাজনীতির মূল শক্তি জনগণ। সেই বিশ্বাস থেকেই সাধারণ মানুষ, পেশাজীবী, কৃষক, শ্রমজীবী, তরুণ ও নারী সমাজের অভাব-অভিযোগ এবং প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে এবারের ইশতেহার তৈরি করা হয়েছে। জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ ও মতামতের প্রতিফলন এই ইশতেহারকে আরও বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য করেছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও জানান, বিএনপির প্রস্তাবিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা এবং ২৭ দফার মূল নীতিমালার আলোকে দেশব্যাপী যে কর্মসূচি ও রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, সেই অভিজ্ঞতাও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার বিষয়গুলো এতে বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, এবারের ইশতেহারে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি দমন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনের মতো বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও শিল্পায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের রূপরেখাও এতে তুলে ধরা হবে।

বিএনপি নেতারা আশা করছেন, এই ইশতেহার দেশের জনগণের আস্থা অর্জনে সহায়ক হবে এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেবে। দলটির বিশ্বাস, জনগণের চাহিদা ও বাস্তবতার সমন্বয়ে তৈরি এই ইশতেহার জাতীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ