এর আগে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, ইশতেহার প্রণয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। তার ভাষায়, দীর্ঘ সময় ধরে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়, আলোচনা ও পরামর্শের ভিত্তিতে এই ইশতেহার চূড়ান্ত করা হয়েছে।
মাহদী আমিন বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে যে রাজনীতির মূল শক্তি জনগণ। সেই বিশ্বাস থেকেই সাধারণ মানুষ, পেশাজীবী, কৃষক, শ্রমজীবী, তরুণ ও নারী সমাজের অভাব-অভিযোগ এবং প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে এবারের ইশতেহার তৈরি করা হয়েছে। জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ ও মতামতের প্রতিফলন এই ইশতেহারকে আরও বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য করেছে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি আরও জানান, বিএনপির প্রস্তাবিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা এবং ২৭ দফার মূল নীতিমালার আলোকে দেশব্যাপী যে কর্মসূচি ও রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, সেই অভিজ্ঞতাও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার বিষয়গুলো এতে বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, এবারের ইশতেহারে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি দমন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনের মতো বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও শিল্পায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের রূপরেখাও এতে তুলে ধরা হবে।
বিএনপি নেতারা আশা করছেন, এই ইশতেহার দেশের জনগণের আস্থা অর্জনে সহায়ক হবে এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেবে। দলটির বিশ্বাস, জনগণের চাহিদা ও বাস্তবতার সমন্বয়ে তৈরি এই ইশতেহার জাতীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।








