-
ভোটকেন্দ্র শনাক্তকরণ: জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর ও জন্ম তারিখ ব্যবহার করে মুহূর্তেই নিজের নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রের নাম ও ঠিকানা জানা যাবে।
-
ম্যাপ ও লোকেশন: গুগলের সহায়তায় ভোটকেন্দ্রের সঠিক অবস্থান ম্যাপে দেখা যাবে। বর্তমান অবস্থান থেকে কেন্দ্রের দূরত্ব কতটুকু এবং সেখানে যাওয়ার পথও অ্যাপটি বাতলে দেবে।
-
প্রার্থীর হলফনামা: নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, সম্পদ এবং মামলার বিবরণ সম্বলিত হলফনামা সরাসরি দেখা যাবে। এতে প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাই করা সহজ হবে।
-
লাইভ ফলাফল: নির্বাচনের দিন ভোট প্রদানের হার এবং ভোট গ্রহণ শেষে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল সরাসরি এই অ্যাপেই পাওয়া যাবে।
-
নির্দেশনা ও তথ্য: ভোটার তালিকায় নিজের ক্রমিক নম্বর এবং ভোট দেওয়া সংক্রান্ত কমিশনের যাবতীয় গাইডলাইন এখানে পাওয়া যাবে।
১. স্মার্টফোনের অ্যাপ স্টোর থেকে Smart Election Management BD অ্যাপটি ডাউনলোড করুন। ২. অ্যাপটি ওপেন করে আপনার ভাষা (বাংলা বা ইংরেজি) নির্বাচন করুন। ৩. ‘ভোটার তথ্য’ বাটনে গিয়ে আপনার ১০ বা ১৭ ডিজিটের এনআইডি নম্বর এবং জন্ম তারিখ দিন। ৪. সফলভাবে তথ্য প্রদানের পর আপনার কেন্দ্র, ভোটার ক্রমিক এবং কেন্দ্রের ম্যাপ স্ক্রিনে চলে আসবে।
নির্বাচন কমিশনের মতে, এই অ্যাপটি ব্যবহারের ফলে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটারদের কেন্দ্র খোঁজার ভোগান্তি কমবে এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের ভোটদানে উৎসাহিত করতে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।






