গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত এই নতুন নোটটিতে গোলাপি রঙের আধিক্য রয়েছে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
-
আকার: ১২৩ মিলিমিটার × ৬০ মিলিমিটার।
-
সম্মুখভাগ: বাম পাশে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ এবং মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে পাতা ও কলিসহ জাতীয় ফুল শাপলার ছবি।
-
পেছনভাগ: এই প্রথম ১০ টাকার নোটে স্থান পেয়েছে ‘গ্রাফিতি ২০২৪’-এর চিত্র।
-
নিরাপত্তা সুতা: ২ মিলিমিটার চওড়া রং পরিবর্তনশীল সুতা ব্যবহার করা হয়েছে, যা নাড়াচাড়া করলে লাল থেকে সবুজ রঙে পরিবর্তিত হবে।
-
জলছাপ: রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, উজ্জ্বল ইলেকট্রোটাইপ জলছাপে ‘১০’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম।
বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে যে, নতুন ১০ টাকার নোট বাজারে এলেও বর্তমানে প্রচলিত সব কাগুজে নোট এবং ধাতব মুদ্রা আগের মতোই লেনদেনের জন্য বৈধ থাকবে। মূলত সব মূল্যমানের (১০০০ থেকে ২ টাকা) নোট নতুন সিরিজে মুদ্রণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে এটি বাজারে আনা হলো। ইতিপূর্বে ১০০০, ৫০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট বাজারে এসেছে।
মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ নমুনা (Specimen) নোটও মুদ্রণ করা হয়েছে। এই নমুনা নোটগুলো বিনিময়যোগ্য নয়, তবে নির্ধারিত মূল্যে মিরপুরস্থ ‘টাকা জাদুঘর’ থেকে সংগ্রহ করা যাবে।








