স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহজাহান আলী অভিযোগ করেন, জামায়াতের নারী কর্মীরা লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। সংঘর্ষের সময় জামায়াতের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীও হামলায় অংশ নেয়। সংঘর্ষের পরে জামায়াত সমর্থকরা গান্না ইউনিয়ন বিএনপির অফিস এবং নেতাদের বাড়িতে হামলা চালায়।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলা জামায়াতের আমির ড. হাবিবুর রহমান বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা জামায়াতের ইফতার মাহফিলের আয়োজনে বাধা দেয়। এর ফলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় এবং ৫-৬ জন জামায়াত কর্মী আহত হন।
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সেখানে টহল জারি রয়েছে।






