হাজিরহাট ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জানান, ইউপি সদস্য ও নেতাদের কাছে কার্ডের জন্য অনুরোধ করলেও অনেকেই কার্ড পাননি। কমলনগরের বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি, জামায়াত, সাংবাদিক এবং পেশাজীবী সংগঠনের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। হাজিরহাট ইউনিয়নে মোট ৭ হাজার ৩০০টি কার্ডের মধ্যে ১ হাজার ৬০০টি কার্ড রাজনৈতিক ও পেশাজীবী কোটায় চলে গেছে।
উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ইউপি কর্তৃপক্ষ কিছু সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের চাপের কারণে এ বণ্টন করা হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন। তবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও ইউএনও জানান, প্রকৃত গরিব ও দুস্থ মানুষের মাঝে এভাবে বিতরণ হওয়া উচিত নয় এবং বিষয়টি তদন্ত করা হবে।







