সভায় বিজিএমইএ নেতারা জানান, বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতার কারণে ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সরবরাহ করতে পারছে না। ফলে কারখানা সচল রাখা এবং ঋণ পরিশোধ দুটোই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তারা নগদ সহায়তার হার শূন্য দশমিক ৩০ থেকে ১ শতাংশ, বিকল্প নগদ সহায়তার হার ১ দশমিক ৫ থেকে ২ শতাংশ, এবং এসএমই শিল্পের জন্য ৩ থেকে ৪ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি প্যাকিং ক্রেডিটের সুদের হার ৭ শতাংশে নামানো, প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের পরিমাণ ৫ হাজার কোটি টাকা থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি এবং মেয়াদ ২০৩০ পর্যন্ত বৃদ্ধি করার পরামর্শ দেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এই প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে শুনে আশ্বাস দেন, এখন থেকে কোনো নগদ সহায়তার আবেদন পেন্ডিং রাখা হবে না এবং প্রতি মাসের নগদ সহায়তার অর্থ সংশ্লিষ্ট মাসেই ছাড় দেওয়া হবে। এছাড়া শিল্পের তারল্য সংকট নিরসনে বিশেষ তদারকির ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও নিশ্চিত করেন।
বিজিএমইএ আশা প্রকাশ করেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপ পোশাক শিল্পকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়াতে এবং কর্মসংস্থান বজায় রাখতে সহায়ক হবে।








